তীব্র প্রেমের কবিতা – ভালোবাসার ছোট কবিতা ২০ টিরও বেশী

তীব্র প্রেমের কবিতা – ভালোবাসার ছোট কবিতা ২০ টিরও বেশী পাবেন এখানে। আমরা অনেকেই অনলাইনে তীব্র প্রেমের কবিতা বা ভালোবাসার ছোট কবিতা খোঁজেন। যারা এই কবিতা গুলো খুঁজছেন তাদের জন্য আজকের এই আর্টিকেল। নিচে আমরা তীব্র প্রেমের কবিতা ও ভালোবাসার ছোট কবিতা দিয়েছি।

(১)

আমার বৈশেখী চুপ দুপুর, তোর নিদাঘ জলের পু’কুর,
তুই মেখ হয়ে যা মেয়ে, তুই জল হয়ে যা মেয়ে, ঝড়ুক বৃ’ষ্টি টাপুর টুপুর।

আমি একলা একা শুনি, তোর জ’ন্য যে পথ শুনি
কখন বুকের ভেতর কেঁ’পে, বেজে উঠবে তোর নূ’পুর।

 

(২)

আমাকে ভুলে যেও রো’জ, ভুলে যেও কতটা নি’খোঁজ।

মরে রেখো কেউ কেউ থে’কেও থাকে না,  পদভাবে এতটকু চি’হ্ন আঁকে না।

কেউ কেউ না থেকেও থাকে,
চুপি চুপি রোজ ছুঁয়ে যায়- স্মৃ’তির গভীর জল ন’দীটির বাঁকে।

 

(৩)

যে ছেলেটা চড় খেয়ে চু’প রয়,  যে মে’য়েটা গালি খেয়ে নিশ্চুপ
তারো বুকে রো’জ জমা ঘৃ’ণারা, একদিন হয়ে যায় বিষ খুব।

যে মেয়েটা স্বাদ পেতে ক্ষমতার, ভূলে যায় ভালোবাসা, মমতা
সে মেয়েটা বু’ঝে না কী কখনো তাকে ‘এক’ ক’রে দেয় ‘ক্ষ’মতা’।

যে ছেলেটা ‘নেতা’ হয়ে ভুলে যায় মানুষের ম’নটাকে জিততে,
জানে কী সে ‘ভা’লোবাসা’ যা দেখে আ’সলে তা ভয় পাওয়া মি’থ্যে।

 

(৪)

তোমার একটা নাম থা’কুক আমার দেয়া, মে’ঘের মেয়ে, নদী কিং’বা জলজ খেয়া।

আমার দেয়া একখানা নাম তো’মার থাকুক,
না হয় আমি হারিয়ে গেলেও একলা একা সন্ধা তারা’ সেই নামেই তোমায় ডাকুক।

(৫)

এলো’কেশী মেয়ে কার পথ চেয়ে,

মেলে’ছিলে ঐ কেশ?
পথ চা’ওয়া শেষে, এসেছিল কী সে?

ছুয়ে মেঘ অ’নিমেষ।
এলোকেশী মেয়ে, মে’ঘবেলা ধেয়ে,

এসেছে কী তার ঢল?
তুমি কার জলে, তোমার ভেজালে?

ভাসালেই প্রে’মাচল!
দেখেনিতো চেয়ে, এ’লোকেশী মেয়ে,

আর কেউ ছিল তার
কী বিষাদে পুড়ে, তা’র বুক জুড়ে,

কেঁদেছে বিরহী সেতার।

(৬)

জা’নিনা কি ভাবে তোমার দেখা পাবো, জানিনা তো’মাকে কি ভাবে কা’ছে পাবো,
জানিনা কতটা আপ’ন ভাব তুমি আমায়,
শুধু জানি আমার এই অবুজ মনটা ভী’ষণ ভালোবাসে তোমায়।

যেতে যেতে পথে হবে প্রেম, শুধু দু’টি মনে, অনু’ভবে কথা হবে ভা’লোবাসারই এই মিলনে.
মেঘেরই পা’লকিতে উড়ে উড়ে , পাখিরা যায় বহু দূরে.
আকাশটা থাকে পিছনে, স্ব’প্নের নীল ভুবনে, হারাবো আ’জ শুধু ভা’লোবেসে দুজনে।

 

(৮ )

ত’তটুকু দিতে নেই, যতটুকু দিলে অ’চেনা মিছিলে
হারাবে নি’জেকেই।

কিছুটা নিজেরও থাক, নিখোঁজ খ’বর- ছা’পা পত্রিকা,
ঠিকানাটা খুঁজে পাকা।

ততটুকু হোক দেনা, যত’টুকু হলে, ফি’রে আ’সবার
প’থটুকু থা’কে চেনা।

 

(৯)

তোমার চোখ চেয়েছি বলে এমন ডুবল আমার চোখ, অমন অথৈ জ্ব’লে রোজ, আমার ডুব সাঁ’তারটা হোক।
শোনো কাজল চোখের মেয়ে আমি তোমার হব ঠিক, তুমি ভী’ষণ অকূল পাথার, আমি এ’করোখা না’বিক।
শোনো, জ্ব’ল ছল ছল কাজল চো’খের কন্যা স’র্বনাশী!
আমি তোমায় অনেক ভালোবাসি।

 

(১০)

শোনো, কাজল চো’খের মেয়ে
আমার দিবস কা’টে, বিবশ হয়ে
তোমার চো’খে চেয়ে।

দ’হনের দিনে, কিছু মে’ঘ কিনে
যদি ভাসে মধ্য দুপুর
তবু মেয়ে জা’নে, তার চোখ মানে
কারো বুক পদ্মপুকুর।

এই যে মে’য়ে, কা’জল চোখ
তোমার বুকে আমায় চেয়ে
তী’ব্র দাবির মি’ছিল হোক।

তা’কাস কেন?
আঁ’কাস কেন, বুকের ভেতর আ’কাশ?
কাজল চো’খের মেয়ে
তুই তাকালে থ’মকে থাকে
আমার বু’কের বাঁ পাশ।

 

 

Add a Comment

Your email address will not be published.