ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার উপায় সম্পূর্ণ সহজ পদ্ধতিতে শিখুন

ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার উপায় স’ম্পূর্ণ সহজ পদ্ধতিতে শিখুন এই আ’র্টিকেলের মাধ্যমে। ডিজিটাল যুগের সাথে তাল মিলিয়ে ব্যবসা করার জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং এর গুরুত্ব ক্র’মেই বৃ’দ্ধি পাচ্ছে। আজকাল মানুষ ই’ন্টারনেট এর মাধ্যমে ঘরে বসে তাদের প্রয়োজনীয় ডিজিটাল প্রো’ডাক্ট কেনার পাশাপাশি নিত্য প্র’য়োজনীয় জি’নিস ক্রয় করার ক্ষেত্রেও ই’ন্টারনেটের হেল্প নিচ্ছে।

 

কাজেই আপনি ডিজিটাল মা’র্কেটিং এর প্রতি ফোকাস না করে এখনো আগেকার পুরনো মানু’ষের মত ট্রা’ডিশনাল মা’র্কেটিং নিয়ে পড়ে থাকলে, আপনি অন্যান্য ব্যবসা প্র’তিষ্ঠানের সাথে প্র’তিযোগিতায় ঠিকে থাকতে পারবেন না। আপনি একজন বিজ’নেসম্যান হয়ে থাকলে আপনাকে অবশ্যই ডিজিটাল মার্কেটিং করতে হবে। কারণ ইন্টারনেট ব্য’বহারকারীর সংখ্যা যে হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতেকরে প্রো’ডাক্ট স’ম্পর্কে মানুষকে সহজে জানিয়ে দেওয়ার জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং এর চাইতে সহজ কোন মার্কেটিং ব্যবস্থা বর্তমানে নেই।

 

সঠিকভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং করতে পারলে, ঘরে বসে খুব অল্প দিনে যেকোন কো’ম্পানির প্রো’ডাক্ট মানুষের কাছে পৌছে দেওয়া সম্ভব হবে। অনলাইনে ক্রয় করার গেটওয়ে কম থা’কার কারনে এখনো আ’মাদের দেশে ডিজিটাল মার্কেটিং খুব বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠতে পারেনি। তবে যে হারে ইন্টারনেট ব্য’বহারকারীর সংখ্যা বৃ’দ্ধি পাচ্ছে, তাতে প’রিষ্কারভাবে আভাস পাওয়া যাচ্ছে যে, খুব শীঘ্রই আমাদের দেশেও ডিজিটাল মা’র্কেটিং ব্যবস্থা মার্কেটিং এর বড় একটি জায়গা দখল করে নিবে। ডিজিটাল মার্কেটিং এর ফলে এক দিকে মানুষ যেমন ই’ন্টারনেট এর মাধ্যমে ঘরে বসে প্রো’ডাক্ট কি’নতে পারছে, অন্যদিকে ব্যবসায়িরা তাদের পন্য কম খরছে মানুষের কাছে পৌছে দিয়ে সেগুলো বিক্রির মাধ্যমে ব্যবসায় সফল হয়ে উঠছে।

 

 

সেই সাথে ডিজিটাল মা’র্কেটাররা তাদের মেধা’কে কাজে লাগে বিভিন্ন ধরনের ডি’জিটাল মা’র্কেটিং এর কাজ করে ডিজিটাল মার্কেটিং ক্যারিয়ার এর মা’ধ্যমে ব্যবসা প্র’তিষ্ঠানের নিকট থেকে ল’ক্ষ ল’ক্ষ টাকা ইনকাম করে নিচ্ছে। বিভিন্ন ধরনের ডিজিটাল মার্কেটিং স’ম্পর্কে আপনার ধারনা থা’কলে, আপনি যেকোন কোম্পানিতে ডিজিটাল মার্কেটার হিসেবে কাজ করে একটি স্মার্ট এমাউন্ট ইনকাম করে নিতে পারবেন।

 

 

আমাদের দেশে অসংখ্য ডিজিটাল মার্কেটার রয়েছে, যারা সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করে প্রতি মাসে হাজার হাজার টাকা আয় করছে। তাছাড়া আপনি যদি বর্তমানে কোন কোম্পানির মা’র্কেটিং সে’ক্টরে কাজ করে থাকেন, তাহলেও আপনি ডি’জিটাল মার্কেটিং এর নিয়ম জেনে নিতে পারেন। মা’র্কেটিং সে’ক্টরে কাজ করার পা’শাপাশি আপনার কো’ম্পানিতে ডিজিটাল মার্কেটিং করতে পারলে, কোম্পানির কাছে আপনার ভ্যালু অ’নেকাংশে বৃদ্ধি পেয়ে যাবে।

আজকের দিনে ডিজিটাল মার্কেটিং বলতে কি বুঝানো হয়?

ডিজিটাল মার্কেটিং বলতে ইলেকট্রনিক যন্ত্র বা মাধ্যম ব্যবহার করে স’ম্পাদিত মা’র্কেটিংকে বোঝায়। এভাবেও বলা যায় যে, ডিজিটাল মার্কেটিং হলো ই’লেকট্রনিক মিডিয়াকে ব্যবহার করে ইন্টারনেট দুনিয়ায় পণ্য, প্রতিষ্ঠান বা ব্র্যান্ডের প্রচারনা বা বিজ্ঞাপন দেয়া।

তবে বর্তমান সময়ে ডিজিটাল মার্কেটিং বলতে ইন্টারনেটের মাধ্যমে পন্যের প্রচার বা বিজ্ঞাপন দেওয়া বুঝায়। সাধারণত কোন পণ্য বা প্রো’ডাক্ট এর বিজ্ঞাপন দিয়ে অথবা যে’কোন উপায়ে প্রো’ডাক্ট এর ভালো দিক তুলে ধরে সেগুলো মানুষের কাছে বিক্রি করাকে মার্কেটিং বলে। অর্থাৎ যে’কোন উপায়ে প্রো’ডাক্ট মানুষের কাছে বিক্রি করার জন্য মা’র্কেটিং করা হয়। ঠিক একইভাবে ইন্টারনেট, ডিজিটাল মিডিয়া ও ডি’জিটাল টে’কনোলজি ব্যবহার করে ইন্টারনেট এর মাধ্যমে কোন প্রো’ডাক্ট বা পণ্য মানুষের কাছে পৌছে দিয়ে সেগুলো বিক্রি করার কৌশলকে ডি’জিটাল মার্কেটিং বলা হয়।

মূলত ইন্টারনেট ও ডিজিটাল টেকলোজি ব্যবহার করে মা’র্কেটিং এর যে সমস্ত কাজ পরিচালনা করা হয়, তাকে ডিজিটাল মার্কেটিং বলে।

বর্তমান সময়ে ডিজিটাল মার্কেটিং এর গুরুত্ব কতটা?

যারা মার্কেটিং প্রসেস বুঝতে পারেন, তারা সহজে ডি’জিটাল মার্কেটিং এর গুরুত্ব অনুধাবন করতে পারছেন। মার্কেটিং এর প্রধান কাজ হচ্ছে, কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রোডাক্ট মানুষের কাছে পৌ’ছানো। যত সহজে বেশি মানুষের কাছে প্রোডাক্ট এর বি’জ্ঞাপন দেওয়া যাবে মানুষ প্রো’ডাক্ট কেনার জন্য উৎসাহিত হবে এবং আপনার প্রো’ডাক্ট তত বেশি সেল হবে। মার্কেটিং এর প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে প্রোডাক্ট এর প্রচারের মাধ্যমে কা’স্টোমারদের প্রো’ডাক্ট স’ম্পর্কে জানিয়ে দেওয়া।

এ ক্ষেত্রে আপনি একজন দ’ক্ষ মা’র্কেটার হয়ে থাকলে আপনার ক’রণীয় হবে, কত সহজে কাস্টোমার পাওয়া যায়, সেই পথ বের করে নেওয়া। যেই জায়গাতে বেশি সংখ্যক মানুষ বেশি সময় অবস্থান করে, সেই জায়গাতে পন্যের বিজ্ঞাপন বা মার্কেটিং করাই হচ্ছে একজন সফল মার্কেটার এর কাজ। এক স’ময় ছিল যখন মানুষ তার পন্যের প্র’চার করার জন্য ফে’রিওয়ালা দিয়ে বাড়ি বাড়ি পন্য পাঠাত, কিন্তু কা’লক্রমে আজ সেই ধ’রনের পদ্ধতি পুরনো হয়ে যাওয়ার কারনে সেই পদ্ধতি বিলুপ্ত হয়ে গেছে।

তারপর মানুষ বিভিন্ন রেডিও, টে’লিভিশন, ম্যাগাজিন ও সংবাপত্রের মাধ্যমে ট্রাডিশনাল বিজ্ঞাপন দিতে থাকে। কারণ মার্কেটাররা তখন বুঝতে পারে মানুষ তাদের অ’ধিকাংশ সময় রেডিও, টে’লিভিশন ও সংবাদপত্র পড়ে ব্যয় করে। কাজেই রেডিও এবং টে’লিভিশনে বি’জ্ঞাপন দিলে সহজে পন্য সাধারণ মানুষ প’র্যন্ত পৌছানো যাবে।

কালক্রমে যখন ইন্টারনেট ও সোশ্যাল মিডিয়া আবিষ্কার হলো তখন মানুষ ফেসবুক ও ইন্টারনেটে আরো বেশি সময় ব্যয় করতে থাকে। তখন সব ধরনের কো’ম্পানি ও মার্কেটাররা বুঝতে পারে যে, ই’ন্টারনেট ও সোশ্যাল মিডিয়াতে ডি’জিটাল মার্কেটিং করলে আরো স’জে অল্প সময়ে যেকোন প্রো’ডাক্ট মানুষের কাছে পৌ’ছানো সম্ভব হবে। আর সেই থেকে ডিজিটাল মার্কেটিং ব্যবস্থা জ’নপ্রিয় হয়ে উঠতে থাকে। ডি’জিটাল মার্কেটিং অন্যান্য মা’র্কেটিং এর চাইতে কম খরছে দ্রুতার সাথে করা যায় বিধায় বর্তমানে ডিজিটাল মার্কেটিং আরো জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

বিশেষকরে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়িরা অল্প খরছে ডিজিটাল মার্কেটিং করার সুযোগ পায় বিধায় ডি’জিটাল মার্কেটিং এর জনপ্রিয় তু’মুল হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। আপনি সাধারণ সেন্সে চিন্তা করে দে’খুন, একটি নিউজ পেপারের ফ্রন্ট পেজে ছোট্ট করে একটি বি’জ্ঞাপন দেওয়ার জন্য একটি কো’ম্পানিকে প্রায় লাখ টাকা’র অধিক ব্যয় করতে হয়। যেটা কোন ছোট খাটো কোম্পানির পক্ষে সম্ভব নয়। তাছাড়া কোন টিলিভিশনে একটি বি’জ্ঞাপন দিতে গেলেই ৫-১০ লক্ষ টাকা খরছ করতে হয়।

কারণ টেলিভিশন বিজ্ঞাপন তৈরি ক’রা থেকে শুরু করে টেলিভিশনে বিজ্ঞাপন দেওয়ার আগ পর্যন্ত প্রায় ৫/৭ লক্ষ টাকা খরছ হয়ে যায়। আর কোন নায়ক/নায়িকা বা সেলিব্রেটিকে দিয়ে টে’লিভিশনে বিজ্ঞাপন দিতে হলে শুধু মডেলকে ১৫/২০ লক্ষ টাকা দিতে হয়। যে খরছ একটি ছোট কো’ম্পানির পক্ষে বহন করা সম্ভব নয়। কিন্তু ডিজিটাল মার্কেটে মাত্র ৫ ডলার থেকে শুরু করে কোটি টাকা খরছ করে প’ছন্দমত বা’জেটে বি’জ্ঞাপন বা মা’র্কেটিং করা যায়। তাছাড়া ডিজিটাল মার্কেটিং এর সবচাইতে বড় সুবিধা হচ্ছে ঘরে বসে মার্কেটিং এর কাজ করা যায় এবং নির্দিষ্ট কা’স্টোমার ও নির্দিষ্ট এলাকা টার্গেট করে বিজ্ঞপন দেওয়া যায় বিধায় কম খরছে টার্গেট করা কা’স্টোমারদের কাছে পন্য মার্কেটিং করা সম্ভব হয়, যেটি অন্য কোন মা’র্কেটিং এর ক্ষেত্রে সম্ভব হয় না।

বর্তমানে ডিজিটাল মার্কেটিং করে যেসব সুবিধা পাওয়া যাবে

কম খরছে ছোট বড় সকল কোম্পানি ডিজিটাল মার্কেটিং ক’রতে পারে। অল্প সময়ে প্রোডাক্ট এর বিজ্ঞাপন কাস্টোমারদের কাছে পৌছানো সম্ভব হয়। ঘরে বসে কম্পিউটার দিয়ে মার্কেটিং করা যায় বিধায় কারো কাছে যেতে হয় না। ইন্টারনেটে কোম্পানির ব্রান্ড তৈরি করা যায়, যেটা অন্যকোন উপায়ে সহজে করা যায় না।

 

এলাকা ভিত্তিক বিভিন্ন বয়সের কাস্টোমার টার্গেট করে মার্কেটিং করা সম্ভব হয়। ওয়েবসাইটের প্রচারের জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং সবচাইতে সহজ ‍উ’পায়। ঘরে বসে অনলাইনে প্রো’ডাক্ট এর অর্ডার পাওয়া যায় বিধায় সহজে পণ্য বিক্রি করা সম্ভব হয়। কাস্টোমারদে সাথে অন’লাইনে কমিউনিটি তৈরি করা যায়। সারা বিশ্বে এখন কম্পিউটার ও ইন্টারনেট এর ব্যবহার বাড়ছে। যত দিন যাবে মানুষ আরো বেশি ক’ম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্যবহার করবে। কাজেই যত দিন যাবে ডিজিটাল মার্কেটিং এর গুরুত্ব ও চাহিদা বৃদ্ধি পাবে।

 

সে জন্য ভবিষ্যত পরিকল্পনা মাথায় রেখে একজন সফল মার্কেটার হওয়ার জন্য অবশ্যই ডিজিটাল মার্কেটিং এর দিকে মনোযোগি হতে হবে।

 

এখনকার টেকনোলজির যুগে কেন আপনি ট্রাডিশনাল মার্কেটিং বাদ দিয়ে ডিজিটাল মার্কেটিংকে বেশি গুরুত্ব দেবেন, সেটি জানার জন্য ট্রাডিশনাল মার্কেটিং এবং ডিজিটাল মার্কেটিং এর পার্থক্য জেনে নিতে হবে। ট্র্যাডিশনাল মার্কেটিং ও ডিজিটাল মার্কেটিং এর মধ্যে যে সব পার্থক্য রয়েছে –

 

ট্রা’ডিশনাল মা’র্কেটিং করার জন্য বেশি পরিমানে টাকার প্রয়োজন হয়। কিন্তু খুব কম খরছে ডিজিটাল মার্কেটিং করা যায়। ট্রাডিশনাল মা’র্কেটিং এর তুলনায় ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে দ্রুত প’ন্যের প্র’চার করা যায়। ট্রাডিশনাল মার্কেটিং মার্কেটে নির্দিষ্ট কাস্টোমার টার্গেট করে বি’জ্ঞাপন দেওয়া যায় না। কিন্তু ডি’জিটাল মার্কেটে বায়ারদের সরাসরি টার্গেট করে বিজ্ঞাপন দেওয়া সম্ভব হয়। বেশি খ’রছের কারনে ছোট খাটো কো’ম্পানি ট্রা’ডিশনাল মার্কেটিং করতে পারে না। ডিজিটাল মার্কেটিং একটি সময় উপযোগি মার্কেটিং ব্যবস্থা।

এই সময়ে ডিজিটাল মার্কেটিং করার উপায়

ডিজিটাল মার্কেটিং এর অনে’কগুলো প্লাটফর্ম রয়েছে। আপনার কোম্পানির ধরণ, কোম্পানির প্রো’ডাক্ট ও ব্যবসার পরিধি এর বিষয়টি বিবেচনা করে আপ’নাকে স’ঠিক প্লা’টফর্মটি বেছে নিতে হবে। আমরা আজকের পো’স্টে বর্তমান সময়ের আটটি জনপ্রিয় ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে আলোচনা করব।

 

  • সো’শ্যাল মি’ডিয়া মার্কেটিং
  • গু’গল এড’ওয়ার্ডস
  • ইউটিউব মা’র্কেটিং
  • ক’নটেন্ট রা’ইটিং
  • সার্চ ই’ঞ্জিন অ’পটিমাইজেশন (এসইও)
  • ইমেইল মা’র্কেটিং
  • এফি’লিয়েট মার্কেটিং
  • মোবাইল এপস মা’র্কেটিং

ডিজিটাল মার্কেটিং এর ক্ষে’ত্রে এই আটটি প্লা’টফর্ম বর্তমানে সবচাইতে জনপ্রিয়। এ ছাড়া আরো অনেক ধরনের ডিজিটাল মার্কেটিং রয়েছে।

তবে আজকের পো’স্টে সবগুলো বিষয় নিয়ে আ’লোচনা না করে শুধুমাত্র এই আটটি ডি’জিটাল মার্কেটিং বিষয়ে আমরা বিস্তারিত জেনে নিব।

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং সম্পর্কে জানা যাক

ডিজিটাল মার্কেটিং এর সবচাইতে বড় মার্কেটপ্লেস হচ্ছে সো’শ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং। পু’রো বি’শ্বের প্রায় অর্ধেকের বেশি মানুষ এখন সোশ্যাল মি’ডিয়া ব্যবহার করছে। আমা’দের দেশের প্রায় ৫ কোটি মানুষ শু’ধুমাত্র ফেসবুক সোশ্যাল মিডিয়াতে কানেকটেড রয়েছে।

সেই জন্য আমাদের দে’শে বর্তমানে ফেসবুক মার্কেটিং সবচাইতে জনপ্রিয়। সেই সাথে অ’ন্যান্য সো’শ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করলে ডি’জিটাল মা’র্কেটিং করে ভালো ফ’লাফল পাওয়া যাবে। সো’শ্যাল মিডিয়া মা’র্কেটিং এর ভীতরে আবার অনেকগুলো প্লা’টফর্ম রয়েছে।

যেমন- ফেসবুক মা’র্কেটিং, টু’ইটার মার্কেটিং, ই’নস্ট্রাগ্রাম মা’র্কেটিং, লিং’কডিএন মার্কেটিং, পি’নটারেস্ট মার্কেটিং ও স্না’পচ্যাট মা’র্কেটিং ইত্যাদি সহ আরো কিছু সোশ্যাল মি’ডিয়া মার্কেটিং রয়েছে। মূলত এই সবগুলো প্লা’টফর্ম সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে মানুষ ব্যবহার করে বিধায় মার্কেটিং ক্ষেত্রে এগুলোকে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং বলা হয়।

সোশ্যাল মি’ডিয়া মা’র্কেটিং আবার দুই ধরনের রয়েছে। যেমন- ফ্রি সোশ্যা’ল মিডিয়া মা’র্কেটিং। পেইড সোশ্যা’ল মিডিয়া মা’র্কেটিং বা টাকার বিনিময়ে বিজ্ঞাপন।

ফ্রি সো’শ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে বি’ভিন্ন সা’মাজিক যো’গাযোগের সা’ইটে কোম্পানির নামে একটি পেজ তৈরি করে সেগুলোতে প্রো’ডাক্ট শেয়ার করার মাধ্যমে ফ্রি সো’শ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করা হয়।
সেই সাথে বিভিন্ন ধরনের গ্রুপ তৈরি করে এবং বিভিন্ন গ্রুপে জ’য়েন করে ফ্রি সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করা যায়। পেই’ড মা’র্কেটিং আবার দুই ধরনের রয়েছে।

একটি হচ্ছে বিভিন্ন বড় বড় সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটারদের সাথে কন্টাকের মাধ্যমে মার্কেটিং করা এবং অন্যটি হচ্ছে সরাসরি সোশ্যাল মিডিয়াতে ডলার পে করার মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করা। সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে ফ্রি এবং পেইড উভয় মার্কেটিং বেশ জনপ্রিয়।

গুগল এ’ডওয়ার্ডস কি? এটার ব্যবহার

গুগল এড’ওয়ার্ডস হচ্ছে বি’শ্বের অন্যতম জনপ্রিয় এক’টি ডিজি’টাল মার্কেটিং প্লাটফর্ম। আপনি বিভিন্ন ব্লগে এবং ওয়েবসাইটে যে সমস্ত বি’জ্ঞাপন দেখতে পান সেগুলোর অধি’কাংশ হচ্ছে গুগল এড’ওয়ার্ডস এর বিজ্ঞাপন। সাধারণত গুগল এডওয়ার্ডস এর মাধ্যমে গুগলকে টাকা পরিশোধ করে এ ধরনের বিজ্ঞাপন বা মার্কেটিং করা হয়।

যেকোন কিও’য়ার্ডকে টার্গেট করে বিজ্ঞাপন দেওয়ার ক্ষেত্রে গুগল এ’ডওয়ার্ডস হচ্ছে সবচাইতে জনপ্রিয়। সাধারণত এ ধরনের ডিজিটাল মার্কেটিং এর বি’জ্ঞাপন ওয়েবসাইট/ব্ল’গের পোস্টের ভীতরে, ডানে, বামে, পো’স্টের নিচে, ব্ল’গের হেডার ও ইউটিউব ভিডিওতে শো হয়ে থাকে। এ ধরনের মার্কেটিং এর ক্ষে’ত্রে বিজ্ঞাপন এর ভি’উ ও ক্লিক হিসেব করে গুগলকে টাকা পরিশোধ করতে হয়।

ডিজিটাল মার্কেটিং এর ইউটিউব মার্কেটিং

ডিজিটাল মার্কেটিং ক্ষে’ত্রে ইউটিউব এখন বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কার’ণ বিনোদনের জন্য মানুষ এখন টেলিভিশন এর চাইতে ইউটিউবে বেশি ভিডিও দেখে থাকে।

বিশেষকরে ইউটিউবে প্রায় সকল ধরনের ভিডিও পাওয়া যায় বিধায় ইউটিউবে ভিডিও দেখতে সবাই স্বা’চ্ছন্দবোধ করে। যার জন্য বিভিন্ন কো’ম্পানি এখন তাদের প্রোডাক্ট বিপণন ও প্রচা’রের জন্য ই’উটিউবকে কাজে লাগাচ্ছে। ইউটিউ মার্কেটিয়ে আবার দুই ধরনের প্রসেস রয়েছে। একটি হচ্ছে বি’ভিন্ন জ’নপ্রিয় ই’উটিউব চ্যানেলের সাথে ক’ন্টাকের মাধ্যমে পন্যের রিভিউ ও স্পনসরড ভিডিও তৈরি করা এবং অন্যটি হচ্ছে গুগল এ’ডওয়া’র্ডস এর মাধ্যমে সরাসরি ই’উটিউবে বিজ্ঞাপন দেওয়া। সাধারণত ভিডিও টাইপের বি’জ্ঞাপন দেওয়ার ক্ষেত্রে ইউটিউব মার্কেটিং বেশি করা হয়।

প্রত্যেকটি কো’ম্পানি এখন তা’দের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নামে একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ তৈরি করতে পছন্দ করে। কারণ কোম্পানির নামে একটি ব্লগ তৈরি করে সেটিকে জনপ্রিয় করে তোলা গেলে ব্লগে কো’ম্পানির বিভিন্ন ধরনের প্রোডাক্ট এর রিভিউ লিখে ই’ন্টারনেটের মাধ্যমে সহজে প্রোডাক্ট কা’স্টোমারদের কাছে পৌছানো যায়। আ’পনি যখন কোন একটি ডিজিটাল প্রোডাক্ট কিনতে চান, তখন প্রোডাক্ট কেনার আগে সেটি আপনার লোকাল মার্কেটে কি প’রিমান দামে পাওয়া যাবে, সেটা জেনে নেওয়ার চেষ্টা করেন।

বিশেষকরে ক’ম্পিউটার ও ল্যা’পটপ কেনার ক্ষে’ত্রে এখন সবাই ইন্টারনেট থেকে ল্যাপটপ এর বিভিন্ন বিষয় জেনে নেওয়ার চেষ্টা করে। এ ক্ষে’ত্রে আপনার ওয়েবসাইটের প্রোডাক্ট পছন্দ হলে কা’স্টোমার আপনার কো’ম্পানির প্রো’ডাক্ট কেনার জন্য অবশ্যই যোগাযোগ করবে।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও নিয়ে বিশ্লেষণ

একটি ওয়েবসাইটে ট্রা’ফিক বা ভিজিটর বৃদ্ধি করে নেওয়ার জন্য সার্চ ইঞ্জিন অ’পটিমাইজেশন করতে হয়। ডি’জিটাল মার্কেটে এসইও এক্সপার্টদের বেশ ডিমান্ড রয়েছে।

কারণ কেবলমাত্র এ’কজন এসইও এ’ক্সপার্ট আপনার ওয়েবসাইটের প্রোডাক্টগুলো গুগল সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে মানুষের কাছে পৌছে দিতে পারবে। আপনার ওয়েবসাইটের প্রো’ডাক্ট গুগল সার্চ ই’ঞ্জিনের মাধ্যমে মানুষের কাছে পৌছানোর জন্য অবশ্যই আপনার ওয়েবসাইটটিতে প্রোপার এসইও করতে হবে। কারণ এ’কজন মানুষ কোন ও’য়েবসাইটের এড্রেস টাইপ করে গুগলে কোন প্রোডাক্ট খোজে না।

একজন মানুষ যখন কোন প্রো’ডাক্ট এর প্রয়োজন মনে করে, তখন সেই প্রোডাক্ট এর নাম লিখে সরাসরি গুগলে সার্চ করে। এ ক্ষেত্রে প্রোডাক্ট এর নাম লি’খে সার্চ করে আপনার প্রোডাক্ট এর লিংক গু’গল সার্চ রেজাল্টের সবার উপরে পাওয়া গেলে ভিজিটর আপনার প্রোডাক্ট কেনার জন্য আগ্রহ দেখাবে। কাজেই ডিজি’টাল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও) এর অনেক গুরুত্ব রয়েছে।

ইমেইল মার্কেটিং হচ্ছে একটি অনলাইন মার্কেটিং পদ্ধ’তি যার মাধ্যমে আপনার পন্যের এবং সেবার প্রচার করতে পারবেন। বর্তমানে বি’শ্বের বিভিন্ন দেশের ছোট বড় অসংখ্য প্র’তিষ্ঠান এই পদ্ধতির মাধ্যমে তাদের আয় বৃদ্ধি করছে। ইমেইল মা’র্কেটিং হল আপনার ক্রে’তাদের কাছে আপনার পণ্যের তথ্য পৌ’ছানোর সবচাইতে কার্যকরী পদ্ধতি। ইমে’ইল মা’র্কেটিং এর ক্ষেত্রে আ’পনাকে ভিন্ন ভিন্ন বয়সের কিংবা বি’ভিন্ন ক্যা’টাগরির মানুষের মে’ইল এড্রেস কা’লেক্ট করতে হবে।

তারপর যে পণ্যের মার্কেটিং করতে চান, সেটি নিয়ে ভাল’ভাবে গবেষণা করার পর পন্যের চাহিদার বিষয় বিবেচনা করে বিভিন্ন মেইল এ’ড্রেসে আপনার পণ্যের লিং’ক পাঠিয়ে দিতে হবে। তা’রপর সেই ব্য’ক্তি আপনার প্রো’ডাক্ট দেখে পছন্দ করলে প্রো’ডাক্ট ক্রয় করার জন্য আ’গ্রহ প্রাকাশ করতে পারে। মূ’লত এভাবে ইমেইল মার্কেটিং করা হয়ে থাকে।

এফিলিয়েট মার্কেটিং ও মোবাইল এপস মার্কেটিং

কোন কোম্পানির প্রো’ডাক্ট বিক্রি করে ক’মিশন নেওয়াকে আমরা সাধারণত এফিলিয়েট মার্কেটিং বলে থাকি। এফিলিয়েট মার্কেটিং করে আপনি আপনার কোম্পানির প্রো’ডাক্ট অনলাইনে বিভিন্ন ব্যক্তির দ্বারা বিক্রি করে নিতে পারেন।

এখানে আপনি এ’ফিলিয়েট কমিশন ভোগি হবেন না, আপনি এফিলিয়েট প্রো’গ্রাম চালু করে অন্যকে কমিশন দেবেন। বর্তমানে এফিলিয়েট মা’র্কেটিং এর মাধ্যমে ডি’জিটাল মার্কেটে প্রচুর পন্য ক্রয় বিক্রয় হচ্ছে। বর্ত’মান সময় টেকনোলজির যুগ হওয়ার কারনে প্রায় সবার হাতে হাতে স্মার্টফোন রয়েছে।

আর প্রত্যেকটি স্মার্টফোনে মানুষ বি’ভিন্ন ধরনের মোবাইল এপস ব্যবহার করছে। বিশেষকরে গুগল প্লে-স্টোর ও এ্যাপল এপস স্টোরে সহজে বিভিন্ন এপস পাওয়া যায় বিধায় সবাই এখন মোবাইলে তাদের পছন্দের এপস ব্য’বহার করতে স্বাচ্ছন্দবোধ করে।

আর ডিজিটাল মার্কেটাররা সেই সু’যোগকে ব্যবসার কাজে ব্য’বহার করে তাদের পন্য প্রমোট করে নিচ্ছে। বিভিন্ন ধরনের এপস তৈরি করে সেগুলোতে প্রোডাক্ট এর বি’জ্ঞাপন দিয়ে সহজে প’ন্যের প্রচার ঘটানো যায়।

 

তাছাড়া গুগল এডমুব এর মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করে সব ধরনের মোবাইলের এপস এর ভীতরে বি’জ্ঞাপন দেওয়া যায়।

ডিজিটাল মার্কেটিং করলে কেমন ক্যারিয়ার হবে?

বর্তমানে আমাদের দেশে অনেক ডিজিটাল মা’র্কেটার রয়েছে যারা ডি’জিটাল মার্কেটিংকে ক্যা’রিয়ার হিসেবে গ্রহন করে মাসে হাজার হাজার টাকা আয় করছে। আপনি যদি একজন ডি’জিটাল মার্কেটার হতে চান, তাহলে উপরের যেকোন ৪/৫ টি মার্কেটিং সম্পর্কে নিজেকে ভালোভাবে দক্ষ করে গড়ে তুলতে পারেন।

 

তাহলে আপনি ভবিষ্যতে একজন ভালোমানের ডি’জিটাল মার্কেটার হয়ে বিভিন্ন কোম্পানির মা’র্কেটিং সেক্টরে একটি স’ম্মানজনক জব করতে পারবেন। আপনি হয়ত জানেন না যে, ব’র্তমানে প্রায় সকল ধরনের বড় বড় কো’ম্পানি তাদের কো’ম্পানির জন্য অ’নেক টাকা ব্যয় করে ভালোমানের ডিজিটাল মার্কেটারদের নিয়োগ দিয়ে থাকে।

 

বিশেষকরে আপনি ফেসবুক মার্কেটিং, গু’গল এ’ডওয়ার্ড, ই’উটিউব মার্কেটিং ও কনটেন্ট মার্কেটিং বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করতে পারলে, ডিজিটাল মার্কেটার হিসেবে ক্যারিয়ার গঠন করা আপনার জন্য কোন ব্যাপার হবে না।

কিভাবে আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং শিখবেন?

আমাদের দেশে ডিজিটাল মার্কেটিং এর গুরুত্ব বৃদ্ধি পা’ওয়ার কারনে সরকারী ও বেস’রকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ডিজিটাল মার্কেটিং কোর্স করার ব্যবস্থা রয়েছে। আ’পনি চাইলে সর’কারী প্রতিষ্ঠানে আবেদন করে ভর্তি হয়ে ডি’জিটাল মার্কেটিং শিখে নিতে পারেন। তবে সরকারী প্রতিষ্ঠানে শিখতে হলে কিছু বেশী সম’য় প্রয়োজন হবে। আ’পনি যদি অল্প সময়ে ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে চান, তাহলে ভালোমানের কোন প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়ে ৩/৬ মা’সের একটি ডি’জিটাল মা’র্কেটিং কোর্স করে নিতে পারেন। মনোযোগ সহকারে ৩/৪ মাস প্রেকটিস করলে আ’পনি ডি’জিটাল মা’র্কেটিং এর মোটামুটি ধারনা অর্জন করতে পারবেন। পরবর্তীতে নিয়মিত কাজ করলে ডিজিটাল মা’র্কেটিং সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ অভী’জ্ঞতা অর্জন করতে সক্ষম হবেন।

ডিজিটাল মা’র্কেটিং কি এবং ডিজিটাল মার্কেটিং কিভাবে শিখবেন সে বিষয়ে আমারা আপনাকে বেসিক ধারনা দিতে পেরেছি। আপনি যদি অন্যর প্রোডাক্ট এর প্র’চার প্রচারনা ক’রতে চান, তাহলে ট্রাডিশনাল মা’র্কেটিং তুলনায় সহজে ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে আপনার টারগেটেড কা’স্টমারদের কাছে নি’র্ধারিত পন্য বা সেবার প্র’চার প্রচারনা করতে পারেন। বর্তমানে ডিজিটাল মার্কেটিং এর অনেক জনপ্রিয়তা রয়েছে এবং ভবিষ্যতে ডিজিটাল মা’র্কেটিং এর জনপ্রিয়তা আরো কয়েকগুন বৃদ্ধি পাবে। কজেই আপনার প্রো’ডাক্ট প্রমো’ট করার জন্য ডিজিটাল মা’র্কেটিং এর হেল্প নিতে পারেন। সেই সাথে আপনি একজন ডিজিটাল মার্কেটার হতে চাইলে অবশ্যই আপনাকে ডিজিটাল মা’র্কেটিং এর নি’য়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ম করে নিতে হবে।

Add a Comment

Your email address will not be published.