জমির খতিয়ান দেখার নতুন নিয়ম ২০২২ যা সবাই জানে না

জমির খতিয়ান দেখার নতুন নিয়ম ২০২২ যা সবাই জানে না। একজন জমির মালিক যাতে ঘরে বসে জমির মালিকানা বের করতে বা ঘরে বসে অনলাইন খতিয়ান কিংবা জমি কেনার পূর্বে সহজে অনলাইন হতে জমির প্র’কৃত মা’লিকানা যাচাই করতে পারে, সে জন্য ভূ’মিমন্ত্রনালয় তাদের সরকারী ওয়েবসাইটে একটি ডাটাবেজ তৈরি করছে।

ইতোপূর্বে বাং’লাদেশের ৬৪ টি জেলার মধ্যে অ’ধিকাংশ জেলার আরএস খতিয়ান সহ অন্যান্য খতিয়ানগুলো এখন ভূ’মিমন্ত্রনালয়ের ওয়েবসাইট হতে সহজে পাওয়া যাচ্ছে। সরকার এ কাজটিতে আরো আ’ধুনিকায়ন আনার জন্য গু’রুত্বসহকারে কাজ করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে আরো সহজে জোন্যাল সেটেলমেন্ট অফিসে না গিয়ে ঘরে বসেই অনলাইনে জমির মা’লিকানা যাচাই ও জ’মির খতিয়ান বের করা যাবে। এতেকরে জমি কে’নার পর প্র’তারনার ফাঁ’দে পড়ার সম্ভাবনা কমে যাবে।

আমরা আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করব কিভাবে আপনি ঘরে বসে ক’ম্পিউটার অথবা হাতে থাকা স্মার্টফোনের মাধ্যমে অনলাইন হতে সহজে জমির মালিকানা যাচাই ও জমির খতিয়ান বে’র করে নিবেন? ক’ম্পিউটার ও ইন্টারনেট এর যুগে নতুন প্র’জন্মের ছেলে মেয়েরা তথ্য প্র’যুক্তিকে যথেষ্ট জ্ঞান রাখলেও জমি জ’মার বি’ষয়ে মিনিমাম এ.বি.সি জ্ঞানটুকো রাখে না।

যার ফলে দেখা যায় অ’নেকের বাবা মারা যাওয়ার পর বাপ-দা’দার জমি-জমার সঠিক হিসাব খোঁ’জে পায় না। কিংবা ন’তুন জমি ক্রয় করতে গিয়ে বিভিন্ন দালাল এর সাহায্যে নেওয়ার সময় প্র’তারিত হয়ে থাকে। অথচ জমি-জমা সম্পর্কে মিনিমাম জ্ঞান রাখলে আপনার বাপ-দাদার ভিটে-মাটির হিসাবসহ অন্যান্য জমির পূর্ণাঙ্গ হিসাব নিজেই করে নিতে পারেন।

আমাদের আ’জকের পোস্টের মূল বিষয় হচ্ছে ঘরে বসে সহজে অনলাইনে জমির মা’লিকানা যাচাই ও জমির খতিয়ান বের করা। সে জন্য জমির অন্যান্য বিষয়ে নিয়ে আমরা এই পোস্টে আলোচনা করব না। তবে আপনার যদি জ’মির কাগজপত্র স’ম্পর্কে বেসিক কিছু ধারনা না থাকে তাহলে অ’নলাইনে হতে জমির মা’লিকানা যাচাই বা জ’মির খ’তিয়ান বের করতে কিছুটা সমস্যার সম্মুখিন হবেন। সে জন্য অনলাইন হতে জমির মালিকানা যাচাই করে পূ’র্বে আমরা জমির কিছু বেসিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। তবে আপনি জমি-জামা স’ম্পর্কে অ’ভীজ্ঞতা সম্পন্ন হলে বি’স্তারিত না পড়ে সরাসরি পো’স্টের নিচে চলে যেতে পারেন।

খতিয়ান বিষয়টা কি? এ সম্পর্কে জানুন

খতিয়ান ও প’র্চা একই জিনিস। এলাকা ’ভিত্তিক এটাকে আ’রো বিভিন্ন নামে ডাকা হয়ে থাকে। সরকারিভাবে জ’রিপ করা জমি-জমার মৌ’জা ভিত্তিক এক বা এ’কাদিক ভূমি মালিকের ভূ-স’ম্পত্তির বিবরণ সংবলিত সরকারি দলিলকে খতিয়ান বলে।

আইনের ভাষায় জরিপকালীন সময়ে জরিপের বি’ভিন্ন ধাপ অ’তিক্রম করে চূড়ান্তভাবে বাং’লাদেশ ফরম নং-৫৪৬২ তে ভূমির মালিকানা বর্ণনাসহ যে তথ্যচিত্র প্রকাশিত হয় তাকে খ’তিয়ান বলে। এতে মৌ’জার দাগ অনুসারে এক বা এ’কাধিক ভূমি মালিকের নাম, পিতার নাম, ঠি’কানা, মালিকানার বিবরণ, জমির বিবরণ, মৌজা নম্বর, মৌ’জার ক্রমিক ন’ম্বর, সীমানা, জ’মির শ্রেণি, দখলকারীর নাম, অংশ প্রভৃতি উ’ল্লেখ থাকে।

মূলত জমির প্রকৃত মালিকের নিকট হতে খাজনা আদায় করার জন্য বাংলাদেশ সরকার খতিয়ান প্রস্তুত করে থাকে। মাঠ পর্যায়ে ভূমি জরিপকালে চূ’ড়ান্ত পর্চা প্র’স্তত করার পূর্বে ভূমি মা’লিকদের নিকট খসড়া খ’তিয়ানের যে অনুলিপি ভুমি মা’লিকদের প্রদান করা হয় তাকে মা’ঠ পর্চা বলে। এটিতে কোন ধরনের ভূল থাকলে নি’র্ধারিত সময়ের পূর্বে সহজে সং’শোধন করা যায়।

বাংলাদেশে সাধারণত চার ধরনের খতিয়ান আছে। যথা-

  • সিএস খ’তিয়ান।
  • এস’এ খতিয়ান ।
  • আর’এস খতিয়ান।
  • বিএ’স খতিয়ান।

জমির খতিয়ান এর প্রকাভেদ গুলোর পরিচয়

এবার আমরা জমির খতিয়ান এর প্রকাভেদ সম্পর্কে জানবো।

সিএস খতিয়ান কি?

সিএস জরিপ উপমহাদেশের সর্বপ্রথম জরিপ যা ১৮৮৭ সাল থেকে ১৯৪০ সাল পর্যন্ত প’রিচালিত হয়। এই জরিপ ১৮৮৮ সালে ক’ক্সবাজারের রামু থেকে শুরু হয়ে ১৯৪০ সালে দি’নাজপুর জেলায় শেষ হয়। এই সময়ে সিলেট আ’সাম প্র’দেশের অ’র্ন্তভুক্ত থাকায় এবং পা’র্বত্য চট্রগ্রাম এর জ’মিদারী প্রথার সাথে পাহাড়ী ও বা’ঙ্গালী বিরোধ থা’কার কারনে সি’লেট ও পা’র্বত্য চট্টগ্রাম অ’ঞ্চল দুটি’কে সিএস জরিপের আওতায় আনা হয়নি।

পরবর্তীতে ১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহন ও প্র’জাসত্ব আইনের  আওতায় জরিপ কা’র্য সম্পন্ন করা হয়। ১৯৫০ এর এর সময়ও পা’র্বত্য চট্রগাম আইনের আওতায় ছিল না বিধায় চ’ট্টগাম অঞ্চলে সিএস জরিপ হয়নি।

সিএস খতিয়ান চেনার উপায়ঃ এই খ’তিয়ান উপর থেকে নিচে লম্বালম্বিভাবে হয়। এটি দুই পৃ’ষ্ঠা সম্বলিত হয়।
প্রথম পৃষ্ঠায় জ’মিদার এবং প্রজার নামে দু’টি ভাগ থাকে। স’বার উপরে লেখা থা’কবে বাং’লাদেশ ফরম নং-৫৪৬৩। অপর পৃষ্ঠায় “উ’ত্তর সী’মানা” নামে একটা কলাম থাকে।

এসএ খতিয়ান কি?

১৯৫০ সালের জমি’দারি অধিগ্রহণ ও প্র’জাস্বত্ব আইন পাসের পর সরকার জমি’দারি অ’ধিগ্রহণ করেন। সেই সময়ে সরকারি আ’মিনগণ সরেজমিনে মাঠে না গিয়ে অফি’সে বসে সিএস খ’তিয়ান সংশোধন করে এসএ খতি’য়ান প্রস্তুত করেন। কোনো অঞ্চলে এ খতিয়ান টেবিল খ’তিয়ান বা ৬২ এর খতিয়ান নামেও পরিচিত।

এসএ খতিয়ান চেনার উপায়ঃ এই খতি’য়ান সবসময় আড়াআড়ি ভাবে হয়। এইটা সবসময় হাতে লিখা হয়, কখনো প্রিন্ড হয় না। এই খতিয়ানে সাবেক খতিয়ানের এবং হাল খতিয়ান নম্বর থাকে। এই খ’তিয়ান এক পৃষ্ঠার হয়।

আরএস খতিয়ান কি?

সিএস জরিপ সম্পন্ন হওয়ার দীর্ঘ ৫০ বছর পর এই জরিপ পরি’চালিত হয়। পূর্বের জরিপের ভূল সং’শোধনসহ জমি, মলিক ও দখলদার ইত্যাদি হালনাগাদ করার নিমিত্তে এ জরিপ সম্পন্ন করা হয়। পূর্বের ভূল সং’শোধনক্রমে আরএস জরিপ এতই শুদ্ধ করে তৈ’রি করা হয় যে, এখনো জ’মিজমা সংক্রান্ত বিরোধ কিংবা ক্রয় বি’ক্রয়ের ক্ষেত্রে আরএস খতিয়ানের উপর নির্ভর করা হয়।

আরএস খতিয়ান চেনার উপায়ঃ ফরম এর সবার উ’পরে হাতের ডান পাশে “রেসার্তে নং” লেখা থাকে। এই খতিয়ান এক পৃষ্ঠার হয়। এটাও উপর থেকে নিচে লম্বালম্বি ভাবে হয়।

 

বিএস খতিয়ান কি?

সর্বশেষ এই জরিপ ১৯৯৮-১৯৯৯ সাল পর্যন্ত পরি’চালিত হয়। যেটির কাজ এখনো চলমান রয়েছে। ঢাকা অঞ্চলে এটি মহানগর জরিপ হিসাবেও পরিচিত। বিএস খতিয়ান চেনার উপায়ঃ এই খ’তিয়ানে ৯ টা কলাম থাকে। কি ধরনের জমি সেটা লিখা থাকে।

 

একটি খতিয়ানে কি দেওয়া থাকে?

খতিয়ানে কিছু কিছু বিষয়বস্তু সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ ক’রা থাকে। খতিয়ানে কি কি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে সে সম্পর্কে রাষ্ট্রীয় অর্জন বিধিমালার ১৮ নম্বর ধারায় বিবৃত হয়েছে। সেগুলো হল, প্রজা বা দখ’লদারের নাম, ঠিকানা ও পিতার নাম এবং প্রজা বা দখ’লদার ব্যক্তি কোন শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত। প্রজা বা দখলদার কর্তৃক জমির অবস্থান, শ্রেণী, প’রিমাণ ও সীমা’না। প্রজার জমির মালিকের নাম, পিতার নাম ও ঠিকানা। এ’স্টেটের মালিকের নাম, পিতার নাম ও ঠিকানা। খতিয়ান প্রস্তুতের সময় খা’জনার পরিমাণ এবং ২৮,২৯,৩০ বিধি মোতাবেক নি’র্ধারিত খাজনা। গো’চারণ ভূমি, বনভূমি ও মৎস্য খামারের জন্য ধারণকৃত অর্থ।

খাজনা যে পদ্ধতিতে ধার্য্য করা হয়েছে তার বিবরণ। ২৬নং ধারা অনুযায়ী নির্ধারিত ও ন্যায়সঙ্গত খাজনা। যদি খাজনা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেতে থাকে তাহলে যে যে সময়ে ও যে যে পদ’ক্ষেপে বৃদ্ধি পেয়েছে তার বি’বরণ। কৃষি কাজের উদ্দেশ্যে প্রজা ক’র্তৃক পানির ব্যবহার এবং পানি সরবরাহের জন্য যন্ত্রপাতি সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ সম্পর্কিত প্রজা ও জমির মালিকের মধ্যে অধিকার ও ক’র্তব্যের বিবরণ। পথ চলার অধিকার ও জমির সংলগ্ন অন্যান্য অধিকার। নিজস্ব জিম হলে তার বিবরণ। এছাড়াও খ’তিয়ানে নিজস্ব খতিয়ান ন’ম্বর, জ’মির দাগ নম্বর, বাট্টা নম্বর, এরিয়া ন’ম্বর, মৌ’জা নম্বর এবং জে, এল, নম্বর উল্লেখিত থাকে।

 

খতিয়ান নম্বর ও মেীজা কি?

প্রত্যেকটি খতিয়ানকে আলাদা আ’লাদাভাবে সনাক্ত করার জন্য খতিয়ানে ই’উনিক নাম্বার বরাদ্দ দেওয়া হয়। এই খ’তিয়ান নম্বর দিয়ে সহজে খতিয়ান সনাক্ত করা যায়। সাধারণত একটি মৌজার ভীতরে একজন মা’লিকের য’তগুলো দাগের জমি থাকে সবগুলো একত্রিকরনের মাধ্যমে একই খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করা যায়।

মূলত সহজে জমির মালিক সনাক্ত করার জন্য খতিয়ান নম্বর ব্য’বহার করা হয়। ভুমি জরিপকালে এক একটি উপ’জেলা/এলা’কাকে ক’তগুলো ক্ষু’দ্র ক্ষু’দ্র ভাগে ভাগ করা হয়। ভাগকৃত এক একটি ক্ষু’দ্র ভাগকে একটি মৌ’জা বলা হয়। কখনো কখনো একটি গ্রাম একটি মৌজায় অন্তর্ভুক্ত থাকে, আবার কখনো একটি মৌজায় একাধিক গ্রাম থাকে।

মৌজা হলো জরিপের একক। মৌজায় কি পরিমাণ ভূমি অ’ন্তর্ভুক্ত থাকবে তার কোন বি’ধিবদ্ধ নিয়ম না থাকলেও কমপক্ষে ২০০ একরের ঊর্ধ্বের ভূমি নিয়ে একটি মৌজা গঠিত হয়।

জমির দাগ ও জেএল নাম্বার কি?

যখন জরিপ ম্যাপ প্র’স্তুত করা হয় তখন মৌ’জা ন’ক্সায় ভূমির সী’মানা চিহ্নিত বা সনাক্ত করার ল’ক্ষ্যে প্র’ত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদা আলাদা নাম্বার দেয়া হয়। আর এই না’ম্বারকে দাগ না’ম্বার বলে। একেক দাগ না’ম্বারে বিভিন্ন পরিমাণ ভূমি থাকতে পারে। মূ’লত দাগ নাম্বার অনুসারে একটি মৌজার অধীনে ভূমি মালিকের সী’মানা খূটিঁ বা আইল দিয়ে স’রেজমিন প্রদ’র্শন করা হয়। প্রতিটি মৌ’জাকে একটি স্থানীয় নামে ও একটি ক্রমিক সংখ্যায় প্রকাশ করা হয়। ক্রমিক সংখ্যাটিকে জে’এল নাম্বার (জু’রিসডিকশন লি’স্ট না’ম্বার) বলা হয়। কোন উপজেলার মোট ১০০ টি মৌজা থাকলে উক্ত মৌজাসমূহের জেএল নাম্বার হবে ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত।

 

ছুটা দাগ ও খাজনা সম্পর্কে জানুন

ভূমি জরিপকালে প্রাথমিক অবস্থায় নকশা প্রস্তুত অথবা সং’শোধনের সময় নকশার প্রতিটি ভূমি এককে’ যে নাম্বার দেওয়া হয় সে সময় যদি কোন নাম্বার ভুলে বাদ পড়ে তবে তাকে ছুটা দাগ বলে। আবার প্রাথ’মিক পর্যায়ে যদি দুটি দাগ একত্রিত করে নক’শা পুনঃ সংশোধন করা হয় তখন যে দাগ নাম্বার বাদ যায় তাকেও ছুটা দা’গ বলে। সর’কার বা’র্ষিক ভি’ত্তিতে প্রজার নিকট থেকে ভূমি ব্যবহারের জন্য যে কর আদায় করে তাকে খা’জনা বলে।
ভূমি কর বা খাজনা আদায় করে যে নির্দিষ্ট ফর্মে ( ফর্ম নং১০৭৭) ভূমি কর বা খাজনা আ’দায়ের প্রমান পত্র বা র’শিদ দেওয়া হয় তাকে দা’খিলা বলা হয়। অন্যদিকে ভূমি কর ব্যাতিত আ’ন্যান্য সরকারি পাওনা আদা’য় করার পর যে নির্ধারিত ফর্মে (ফর্ম নং ২২২) রশিদ দেওয়া হয় তাকে  বলে। সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার প্র’স্তাব প্রজা ক’র্তৃক গ্রহণ করে খাজনা প্রদানের যে অ’ঙ্গিকার পত্র দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।

 

ইন্টারনেটের মাধ্যমে জমির খতিয়ান দেখার নিয়ম

এতক্ষনে আপনি নিশ্চয় জমির অনেক বিষয়ে বেসিক ধা’রণা পেয়েছেন। উপরের বিষয়গুলো ভালোভাবে বুঝতে পারলে জমির খতিয়ান বুঝতে আপনাদের জন্য সহজ হবে। এখন আমরা অনলাইনে জ’মি’র মালিকানা যা’চাই ও জমির খতিয়ান বের করার নিয়ম দেখব। প্রথমে আপনি এই লিংকে ক্লিক করুন।

উপরের লিংকটিতে ক্লিক করার পর ভূ’মিমন্ত্রনালয়ের ওয়েব’সাইট শো করবে। আপনি মো’ট চারটি ঘর দেখতে পাচ্ছেন। অনলাইনে খতিয়ান দেখার জন্য এই চা’রটি ঘর পু’রণ করে দিতে হবে। এখানে উপরের আপনার বিভাগ, জেলা, উপজেলা ও মৌ’জার নাম/নাম্বার সিলেক্ট করে দিতে হবে।
তারপর খতিয়ান নং জানা থাকলে “খ’তিয়ান নং অ’নুযায়ি” অপশনটি সিলেক্ট করে খালি ঘরে উ’পরের চি’ত্রেরন্যায় আপনার জ’মির খতিয়ান নম্বরটি বসিয়ে দিতে হবে।

সবশেষে যো’গফল এর ঘরে যোগফলটি বসিয়ে দিয়ে সবুজ কালারের খু’জুন বাটনে ক্লিক করলে আপনার কাঙ্খিত জমির মালিক, দাগ নম্বর ও ভূমির মাপসহ যা’বতীয় তথ্য দেখতে পাবেন। এখন আপনি খ’তিয়ান এর সা’র্টিফাইট কপি অথবা অন’লাইন কপি নিতে চাইলে সবুজ রংয়ের অপশনগুলো ব্যবহার করতে হবে। সা’র্টিফাইট বা অন’লাইন কপির অপশনে ক্লি’ক করলে নিচের চিত্রটি দেখতে পাবেন। আপনার নাম ও মোবাইল নাম্বার দিয়ে এর মাধ্যমে ৫ টাকা পরিশোধ করে আপনার জমির খ’তিয়ানের সার্টিফা’ইড কপি উত্তোলন করতে পারবেন।

আশা করছি, আপনি জ’মির খ’তিয়ান দেখার নতুন নিয়ম ২০২২ যা সবা’ই জানে না স’ম্পর্কে বি’স্তারিত জানতে পে’রেছেন। আপনার যদি কোন প্রশ্ন থাকে জমির খতিয়ান দেখার নতুন নিয়ম ২০২২ যা সবাই জানে না সম্প’র্কে তাহলে কমেন্ট করে জানাতে পারেন। ভালো থাকবেন।

Add a Comment

Your email address will not be published.