অনেক গরমের মধ্যেও সুস্থ্য থাকার ‍উপায় জানুন

গরমকাল চলছে প্র’কৃতিতে। একদিন বৃ’ষ্টি না হলেই ভ্যা’পসা গরম। ঘর থেকে বের হ’লেই ঘেমে অস্থির। ঘ’রে সিলিং ফ্যানের বা’তাসও যথেষ্ট নয়। এ’মতাবস্থায় অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। গ’রমে সু’স্থ থাকার উপায় নিয়ে বিস্তারিত জা’নিয়েছেন বারডেমের ল্যা’বরেটরি সার্ভিসেসের প’রিচালক অধ্যাপক ডা. শুভাগত চৌধুরী।

গ্রীষ্মের গ’রমে ঘরের বাইরে রোদে ব্যা’য়াম করে শরীর ক্লা’ন্ত তো হয়, ঘেমে নেয়ে উঠেন অনেকে। সাঁ’তার কাটা, সাইকেল চালান, দৌঁড়ান, হাঁটা যাই হোক না কেন। আর কড়ারোদে বেশ কিছু সময় ব্যা’য়াম কর’লে বিপ’দ হতে পারে যখন-তখন।

ব্যায়ামের আগে শরীর যেন জ’লপূর্ণ থাকে সে ব্যাপারে নিশ্চিত হ’বেন। শ্বাস ছাড়ছেন, ঘামছেন, প্রস্রাব করছেন, জল তো বেরুচ্ছেই শরীর থেকে। জলের অ’ভাবে শরী’রে হবে পানিশূন্য। প্রতি’দিন তাই জল পরিপূ’র্ণ চাই, শরীরের কা’জকর্ম যা’তে ঠিকমতো চলে সেজ’ন্য যথেষ্ট পানি পান ক’রা চাই, জলীয় খাবার খাওয়া চা’ই।

 

আমাদের কী পরিমাণ পানি লাগে শরীরের জন্য

প্রতিদিন ১৬ কাপ পা’নি পুরুষের জন্য আর না’রীদের জন্য ১১ কা’প, পরামর্শ ‘ইন্সটিটিউট অব মে’ডিসিন, ন্যাশনাল এ’কাডেমি, আমেরিকা। আ’মাদের প্রতিদিন খাদ্যে জ’লীয় অংশ থা’কলেও বেশির ভা’গ তরল আসা উচিত পানীয় জল থেকে। শ’রীরের যা ওজন, এর অ’র্ধেক পরিমাণ, আউন্স পরিমাপে যা হয়, তা পা’নকরা উচিত, যেমন ওজন ১৬০ পা’উন্ড হলে অন্তত ৮০ আউন্স পানি পান করা উচিত (আট আউন্স) গ্লা’সের দশগ্লাস পানি। গড়পরতা হিসেবে মানুষ নিজের তরল চাহিদা প্রতিদিন মেটায় না।

য’দি প্র’স্রা’বের রং পরিষ্কার বা খড়ের রং হয় তাহলে বুঝ’বেন যথেষ্ট পা’নি পান করা হচ্ছে। প্র’স্রা’ব গাঢ় রঙের হলে বুঝবেন পা’নিশূন্যতা হয়েছে। পি’পাসা পাও’য়া পর্যন্ত অ’পেক্ষা করা ঠিক না। পানি শূ’ন্যতার অ’ন্যান্য লক্ষণ হল ব’মিভাব, মাথা হালকা লাগা। দি’নভর ঠিকমতো পা’নি পান করছেন তা নি’শ্চিত করার জন্য যেখানেই যাবেন, স’ঙ্গে যেন থাকে পানিভর্তি বো’তল। গাড়ি’তে রা’খুন, ক’র্মস্থলেও রাখুন।

স’ঙ্গে ব’হনও করুন, হাঁটলেও। এ’কসঙ্গে সব পানি পা’ন ক’রবেন এজন্য অ’পেক্ষার দরকার নেই। পা’নি পান করে পেট ভরাট একসঙ্গে করার দরকার কি, পে’ট ভারি ভারি লাগবে।

 

পানি ছাড়া অন্যান্য কি পানি ব্যবহার করবেন

ব্যা’য়ামের সময় যে পানি হানি হয়, শু’ধু পানি পান করেই তা পূ’রণ করা স’ম্ভব। তবে যারা ৬০ মি’নিটের বেশি, বিশেষ করে গরমকালে ব্যায়াম করেন, তাদের জন্য হা’ইড্রেশন ড্রিংক (যাতে থাকে পানি, সোডিয়াম-পটাশিয়াম ইলে’কট্রোলাইট) (যা ঘামের সঙ্গে ক্ষয় হয়) গ্রহণ যথাযথ।

কিছু কিছু এথ’লেট ব্যায়ামে বা শরীরচর্চায় যে শ’ক্তি ক্ষয় হয় পরিপূরণের জন্য ও পেশিতে তা পুনঃ’স্থাপনের জন্য জুস বা দুধ পান করে থাকেন। শরীরে পা’নিশূন্যতা হলে পায়ে খিচুনি হতে পারে, খিল ধরতে পারে, ক্লা’ন্তি অ’বসাদ হতে পারে। প’র্যাপ্ত পানির অভাবে, শরীর ঘেমে শীতল হতে পারে না। এর ফলে তাপাহত হওয়ার আশংকা বেড়ে যায়।

 

গরমে বেশী বাহিরে যাবেন না

সকা’লে যদি ব্যা’য়াম ক’রতে পারেন (সকাল ১০টার আগে) বা (দি’নের শেষে বিকাল ৪টার পর) তা’হলে কড়ারোদ এড়ানো যাবে। শীতল ছায়া যেসব পথে আছে সেখান দিয়ে হাঁটুন। মধ্যহ্নে যদি শরীরচর্চা করতে হয় কখনও তাহলে হাল’কা বর্ষা বেছে নিন, (সাঁতার কাটা বা জল ক্রীড়া) যেদিন খুব বেশি তাপ, সেদিন ব্যায়াম অন্দরে করাই ভালো

অ’ন্দরে শরীরচর্চা: বাইরে উত্তাপ খুব বে’শি হলে, তা’হলে ঘরের বাইরে বি’কল্প অনেক অ’ন্দর-ব্যায়াম আছে। জি’মে না যেতে চাইলে, ঘরে বসে সাই’ক্লিং, জগিং, দড়ি লাফ, ভার’উ’ত্তো’লন, উঠবস, ডানবৈঠক, ইয়োগা চলতে পারে।

Add a Comment

Your email address will not be published.